NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, মার্চ ১১, ২০২৬ | ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

পণ্য রপ্তানিতে ঘন ঘন ব্যাঘাত এড়াতে ভারতকে অনুরোধ বাংলাদেশের


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৪:০২ এএম

>
পণ্য রপ্তানিতে ঘন ঘন ব্যাঘাত এড়াতে ভারতকে অনুরোধ বাংলাদেশের

কমপ্রিহেনসিভ ইকোনোমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত। বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়াল এবং বাংলাদেশের সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের সময় যত দ্রুত সম্ভব এই আলোচনা শুরু করতে একমত হয় দেশ দু’টি।

এদিকে বাংলাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানিতে ঘন ঘন ব্যাঘাত এড়াতে ভারতকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল। শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু।

ভারতের দেওয়া এক প্রেস নোটে বলা হয়েছে, ‘কমপ্রিহেনসিভ ইকোনোমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, জীবনযাত্রার মান বাড়াবে এবং ভারত ও বাংলাদেশে ব্যাপক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুযোগ প্রদান করবে বলে উভয় পক্ষই সম্মত হয়েছে। এছাড়া এই অংশীদারিত্ব নির্ভরযোগ্য এবং টেকসই রিজিওনাল ভ্যালু চেইনসও প্রতিষ্ঠা করবে।’

দ্য হিন্দু বলছে, ভারত ও বাংলাদেশ সিইপিএ-তে একটি যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চালিয়েছে এবং প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সিইপিএ ‘দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের যথেষ্ট বৃদ্ধির জন্য শক্তিশালী ভিত্তি প্রদান করবে’ বলে সমীক্ষা নিশ্চিত করেছে।

সিইপিএ ছাড়াও ‘অশুল্ক বাধা এবং বন্দর বিধিনিষেধ অপসারণ, সীমান্ত হাট পুনরায় চালু করা, উভয় পক্ষের মান ও পদ্ধতির সমন্বয় এবং পারস্পরিক স্বীকৃতি, ভারতীয় মুদ্রায় বাণিজ্যের বিষয়টি নিষ্পত্তি, সংযোগ এবং বাণিজ্য অবকাঠামো’ নিয়েও আলোচনা করেছে উভয় পক্ষ।

এদিকে একটি কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য হিন্দু জানিয়েছে, বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে আকস্মিক ব্যাঘাত ঠেকাতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। গত কয়েক বছরে একাধিকবার, পেঁয়াজের মতো কৃষিপণ্যের ওপর ভারতের আকস্মিক রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যবৃদ্ধি সৃষ্টি করেছে।

কূটনৈতিক ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে, সফরকারী বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে পাটজাত পণ্যের ওপর ভারতীয় অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের বিষয়টিও উত্থাপন করা হয়েছে। পাটজাত পণ্যের ওপর ওই শুল্ক অন্তত ২০১৭ সাল থেকে বহাল রয়েছে।

দ্য হিন্দু বলছে, অ্যান্টি-ডাম্পিং ব্যবস্থা বাংলাদেশের পাটপণ্যকে ভারতের বাজারে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে উল্লেখ করে ঢাকা এই ব্যবস্থা অপসারণের জন্য অনুরোধ করেছে।

ওই কূটনীতিক আরও বলেছেন, উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়ে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা করেছে।